পিতৃহত্যার বিচার দাবি সন্তানদের সংবাদ সম্মেলন
![]() |
| পিতৃহত্যার বিচার দাবি সন্তানদের সংবাদ সম্মেলন |
টাঙ্গাইলে পিতৃহত্যার বিচার দাবি করেছেন সন্তানেরা। টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে মঙ্গলবার বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলনে তারা এ দাবি করেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে সন্তানেরা আসামিদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়ারও অভিযোগ করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে মামলার বাদী টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার মহিষজোড়া গ্রামের নিহত আব্দুল খালেকের ছেলে তোয়াজ আলী ও আলতাফ হোসেন ছাড়া স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে তোয়াজ আলী বলেন, ময়নাতদন্ত রিপোর্টে হত্যার বিষয়টি ফুটে উঠলেও আসামিদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে পুলিশ এ মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন (এফআরটি) দিয়েছে।
তিনি এ মামলায় পুনরায় তদন্তপূর্বক প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
তোয়াজ আলী অভিযোগ করে বলেন, তার বাবা আব্দুল খালেক গ্রামের মসজিদের সভাপতি ছিলেন। মসজিদের জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে ২০১৬ সালের ২১ অক্টোবর পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় আমি বাদী হয়ে ২০১৬ সালের ২৫ অক্টোবর ১৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ১৫/২০ জনকে আসামি করে কালিহাতী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করি।
মামলার আসামিরা হলেন— আব্দুস ছাত্তার, নুরুল ইসলাম, আক্তারুজ্জামান, নাঈম ইসলাম, ফরমান সিকদার, করিম সিকদার, সোহেল রানা, আকাশ সিকদার, আনোয়ার মন্ডল, বাকের মন্ডল, মোস্তফা মন্ডল, সের আলী মন্ডল, মানিক মন্ডল, আহাদ উল্লাহ মন্ডল, ফফিদ মন্ডল, মোহাম্মদ শফি ও শফিকুল ইসলাম।
তিনি অভিযোগ করেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির এএসপি আবুবক্কর সিদ্দিকী আসামিদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন (এফআরটি) আদালতে দাখিল করেন।
নিহতের ছেলে বলেন, আমি ওই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে গত ১৬ জুলাই আদালতে নারাজি দাখিল করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন। এমতাবস্থায় আমি গত ২৫ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতে রিভিশন মোকদ্দমা দায়ের করি।
এজন্য আসামিরা আমাকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির এএসপি আবুবক্কর সিদ্দিকী তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
তিনি জানান, মামলার তদন্ত চলাকালীন আসামিরা কেউ এলাকায় ছিল না। বারবার অভিযান চালিয়েও আসামিদের পাওয়া যায়নি।

কোন মন্তব্য নেই